B

20795167
Showing posts with label online earning tips. Show all posts
Showing posts with label online earning tips. Show all posts

online shopping platform.

We are much more than an online shopping platform.




https://cdndn.com/srv.html?id=5529362&pub=1122250

Welcome to our online shopping platform, the ultimate destination for all your shopping needs! Our app brings you a seamless and enjoyable shopping experience right at your fingertips. With a vast array of products from various categories, we cater to your diverse preferences and provide you with the convenience of shopping from the comfort of your own home

Discover a world of endless possibilities as you browse through our extensive catalog. From fashion and accessories to electronics, home decor, beauty products, and more, we have it all. With thousands of brands and sellers, you can explore a wide range of options and find exactly what you're looking for.

Our intuitive interface and user-friendly features make navigating the app a breeze. Effortlessly search for products, filter your search results, and sort them based on your preferences. Detailed product descriptions, high-resolution images, and customer reviews help you make informed decisions and choose the best products that suit your needs.

Creating an account on our app opens up a world of benefits. Enjoy personalized recommendations based on your browsing and purchase history. Save your favorite items to your wishlist for future reference or create collections to organize your shopping inspiration. With secure payment options, you can shop with confidence, knowing that your financial information is protected.

Stay updated with the latest trends, exclusive offers, and flash sales through our push notifications. Never miss out on a great deal again! Our customer support team is always available to assist you with any queries or concerns, ensuring a smooth and hassle-free shopping experience.




Join our thriving online shopping community and indulge in the joy of discovering new products, comparing prices, and making purchases with ease. Download our app today and embark on a delightful shopping journey like never before!

Note: This description is a general representation and can be customized to suit the specific features and branding of your online shopping platform app.

how to income money


how to income money 

There are numerous ways to generate income, and the right method for you will depend on your skills, resources, and personal circumstances. Here are some popular ways people generate income:



Employment: This is the most common way to earn money. You can work as an employee for a company or organization and receive a regular salary or wages. Look for job opportunities in your field of expertise or explore new industries that interest you.



Freelancing: If you have specialized skills such as writing, graphic design, programming, or consulting, you can offer your services as a freelancer. Platforms like Upwork, Fiverr, and Freelancer connect freelancers with clients seeking their expertise.



Starting a business: If you have an entrepreneurial spirit, you can start your own business. Identify a market need or a product/service you are passionate about and create a business plan. Consider factors such as funding, marketing, operations, and legal requirements.



Investing: Investing involves putting your money into various financial instruments such as stocks, bonds, mutual funds, or real estate with the goal of generating a return. This approach often requires careful research, knowledge of the market, and a long-term perspective.



Rental income: If you have a property or extra space, you can consider renting it out. This could be a residential property, commercial space, or even renting out your car, equipment, or other assets.



Online platforms: The internet offers various opportunities to earn money. You can create and sell digital products, such as e-books, online courses, or software. You can also monetize your website or blog through advertising, sponsored content, or affiliate marketing.



Passive income: This involves earning money with minimal ongoing effort or time investment. Examples include royalties from creative works, dividends from investments, or income from automated online businesses.



Gig economy: Participate in the gig economy by taking up short-term or flexible jobs. You can become a driver for ride-sharing services like Uber or Lyft, deliver groceries with Instacart, or perform various tasks through platforms like TaskRabbit.



Remember, generating income requires effort, dedication, and sometimes a learning curve. It's essential to assess your skills, interests, and available resources to find the most suitable income-generating opportunities for you.

For free gifts

 



You can also earn a lot of money by opening an account here and doing a part time job...

Click here for more details

What is SEO, SEO as a career, how to learn, what to learn?


 এসইও কি, ক্যারিয়ার হিসেবে এসইও, কিভাবে শিখবেন, কি কি শিখবেন?

এসইও কি?
SEO মানে Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়। ধরুন, আপনি গ্রাফিকস কোর্স করবেন, সেজন্য ট্রেনিং সেন্টার খুজছেন। তাহলে হয়ত আপনি গুগলে লিখবেন graphics training in Bangladesh। তখন সার্চের প্রথমে দেখবেন আমাদের ট্রেনিং সেন্টার ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের নাম। আর এটি দেখে হয়ত আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে কেউ প্রবেশ করল, এরপর এখান থেকে তথ্য পেয়ে পছন্দ হলে এখানে এসে কোর্সে ভর্তি হয়। এটি হল এসইওর ফযিলত।

সার্চ ইঞ্জিন কী :
আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় যেকোন বিষয়ের তথ্য জানতে হলে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে থাকি। তখন সারা বিশ্বের যত ওয়েবসাইটে এ ব্যপারে যেকোন তথ্য আছে, সব আমাদের সামনে চলে আসে। এ বিষয়গুলো জানার এসব উৎসকে সার্চ ইঞ্জিন ( search engine ) বলে। বিখ্যাত কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং( bing) ইত্যাদি । এই সব সাইটে আপনি একটি শব্দ সার্চ বক্সে লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে , কয়েক সেকেন্ড এর মধ্য অনেক ওয়েবসাইটের লিংক চলে আসে, যেসব লিংকে গেলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায় । সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে : সার্চ ইঞ্জিনগুলো তৈরি হয়েছে, মানুষের তথ্য থুজে

পাওয়ার জন্য। সেজন্য কোন কিছু সার্চ দিলে যাতে সবচাইতে সেরা তথ্য খুজে পাওয়া যায় সেজন্য সার্চইঞ্জিন সাইটগুলো কিছু পোগ্রাম তৈরি করে রাখে। যেটি সকল সাইটগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় তুলনা করে সেরা সাইটগুলোকে সার্চের সামনে নিয়ে আসে। সেরা সাইট নির্বাচন করার জন্য তারা দেখে ওয়েবসাইটটির মানসম্মত কিনা, ওয়েবসাইটের তথ্য সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা, ওয়েভসাইটটি কেমন জনপ্রিয়। এগুলোসহ আরও কিছু বিষয় নিয়ে ফলাফল প্রদর্শন করে।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ক্ষেত্রে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ :
ওয়েবসাইট তৈরি হয় কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য। যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে, ততমানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে কিংবা সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পাবে। সার্চ ইঞ্জিন কোন একটি ওয়েভ সাইটে ভিজিটরের প্রধান উৎস। শতকরা ৮০Percent ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটে আসে । ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়বে । বিভিন্ন কারণে সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।

ক) যেকোন ওয়েবসাইটের বেশীর ভাগ ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে থেকে আসে । প্রতি মাসে প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন সার্চ হয় । United States এ এক জরিপে দেখা গেছে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন সার্চ হয় । (সূএ : com score.2008 )

গ) অনেকে জানেনা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।সে জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সে বিষয় লিখে সার্চ করে । তখন প্রয়োজনীয় সাইটের লিস্ট তাদের কাছে চলে আসে।

ঘ) বিনামুল্যে যেকোন তথ্য খুজে পাওয়া যায়, সেজন্য সবাই এটি ব্যবহার করে।

ঙ) সকল তথ্যে বিশাল ভান্ডার হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। সেজন্য দিনে দিনে এটির উপর সবার নির্ভরশীলতা দিনে দিনে বাড়ছে।

চ) যেহেতু তথ্য খুজে পেতে সবাই সার্চইঞ্জিনের সাহায্য নিয়ে থাকে, সেজন্য সকল কোম্পানী তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য সনাতনী পদ্ধতি ছেড়ে দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চের প্রথমে তাদের কোম্পানীর ওয়েবসাইটকে রাখতে চায়।

জ) মার্কেটিংয়ের সনাতনী সকল পদ্ধতিগুলো ব্যয়বহুল এবং বর্তমানযুগে কম কাযকরী। অন্যদিকে SEO তে খরচ কম কিন্তু আগের পদ্ধতির চাইতে কমপক্ষে ৬০ভাগ বেশি কাযকরী।

ক্যারিয়ার হিসাবে SEO :
বাংলাদেশে যারা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করে তাদের বেশিরভাগ এসইও এর মাধ্যমে আয় করে। কারন বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি কম। সাধারণত যাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারন ধারনা আছে, ইংরেজীতে মোটামুটি পারদর্শী, ওয়েবসাইট ভিজিট করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন তারা অতি সহজে এসইও এর কাজে পারদর্শী হতে পারেন। কোন প্রোগ্রামিং ভাষা জানার তেমন দরকার নাই বিধায় এই কাজ অতি সহজে রপ্ত করে দ্রুত কাজ শুরু করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এই কাজে নিয়োজিত আছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ।

১)বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (odesk.com, freelancer.com ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।

২) নিজের একটি ব্লগ সাইটখুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।

৩) অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।

৪) এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার এ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।

৫) এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম পোস্টিং কিংবা ব্লগ কমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।

৬) প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।

কিভাবে শিখবেন এসইও?
আপনার ইংরেজি পড়া এবং বুঝার স্কিল যদি মোটামুটি লেবেলের ভালো হয় তবে আপনি গুগলকে ইউজ করে ভালো মানের কিছু ব্লগ থেকে এসইওPercentর অনেক অনেক কিছু শিখতে পারেন। আর নেট স্পিড ভালো হলে ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও সার্চ করে দেখতে পারেন। বাংলাতেও প্রচুর এসইও গাইডলাইন আছে।

অনেকে অনলাইন থেকে শিখতে গিয়ে ধৈয্য হারিয়ে ফেলেন। যারা এভাবে শিখতে অভ্যস্ত না তারা ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে ভর্তি হয়ে ৮০০০ টাকা থেকে ১৫০০০ টাকা খরচ করে পুরো ব্যাপারটি অভিজ্ঞ কারও কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন। আমাদের দেশে ইতিমধ্যে এ সম্পর্কিত অনেকগুলো ভালমানের ট্রেনিং সেন্টার গড়ে উঠেছে।

কি কি শিখতে হবে?
এসইও দুইপ্রকার। অনপেজ এসইও এবং অফপেজ এসইও। এ দুটির সকল বিষয় আপনাকে খুব ভালভাবে জানা থাকতে হবে। এসইওর কাজ শুরুর আগে যা যা শিখতে হবে, সেগুলো হলো: কিওয়ার্ড রিসার্চ, বিভিন্ন এইচটিএমএল ট্যাগের ব্যবহার, কনটেন্ট অপটিমাইজেশন, ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ডাইরেক্টরী সাবমিশন, গেস্ট ব্লগিং, প্রেসরিলিজ সহ আরও অনেক কিছু।

6 easy tips for students to earn money online

 



ছাত্রদের জন্য Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।

আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।

কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে।

০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।

০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।

০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।

০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।

০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ...

Earn in Share Cash শেয়ার ক্যাশ এ আয় করুন

 



আয় করুন ২৫ থেকে ২৫০ ডলার আপনি পারবেন

প্রাথমিক কথা
বন্ধুরা, আজকে আপনাদের কে এমন একটি অনলাইন আয়ের কথা বলবো যা থেকে খুব সহজেই তেমন কোনো পরিশ্রম ছাড়াই মোটামুটি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এখানে তেমন কোনো পরিশ্রম করা লাগবে না। দরকার নেই কোনো বিষয়ে এক্সপার্ট হওয়ার। আপনি যদি ফেসবুকের মতো সাইটে ছবি আপলোড করতে পারেন তাহলেই আপনি এই সাইটের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। কীভাবে?

সতর্কীকরণ!!! অবশ্যই অবশ্যই নিজের আপলোডকৃত ফাইল নিজেই ডাউনলোড করা যাবে না। যতো চালাকিই করুন না কেন আপনার একাউন্ট ব্যান হবেই হবে! সুতরাং সাবধান!!! নিজের কাছে সৎ থাকুন। আপনি এই সাইটে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করবেন। তারপর তাদের সাইটে বিভিন্ন ফাইল: যেমন- ছবি, ছোট সফটওয়্যার, ভিডিও ইত্যাদি আপলোড করবেন। আপলোডকৃত ফাইল আবার আপনিই বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেবেন। এই লিংক থেকে আপনার ফাইলটি কেউ ডাউনলোপ করলে প্রতিবার ডাউনলোডের জন্য আপনি ১ ডলার থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত পাবেন। এই জন্যই অনলাইন আয়ের এই মাধ্যমকে বলা হয় পে পার ডাউনলোড বা পিপিডি।

তো বলুন, এটা কি সহজ কাজ নয়? তারপরও যদি আপনার কাছে কঠিন মনে হয় তাহলে এই লেখা আপনি না পড়াই ভালো। শুধুমাত্র আগ্রহীরাই আসুন নিম্নে এই সাইটের ব্যাপারে জেনে নিই। এই সাইটের নাম শেয়ার ক্যাশ।

শেয়ার ক্যাশ কী?
শেয়ার ক্যাশ হচ্ছে একটি পিপিডি ওয়েবসাইট। অর্থাৎ এখানে যদি আপনি ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করে বিভিন্ন ফাইল আপলোড করার পর তা অন্য কেউ ডাউনলোড করে তাহলে প্রতিবার ডাউনলোডের জন্য আপনি পেমেন্ট পাবেন।

কেন শেয়ার ক্যাশ?
পিপিডি বা পে পার ডাউনলোড টাইপ সাইট অনেক আছে। কিন্তু আমার কাছে এটাই বেস্ট মনে হয়েছে তাই এটা নিয়ে লিখছি। তাছাড়া আমি এখান থেকে প্রথমবার পেমেন্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হয়ে আপনাদের জানাচ্ছি। এবং ভবিষ্যতেও ভালো ইনকাম করার ইচ্ছে আছে এই সাইট থেকে। আশা করি বুঝতে পারছেন এই নিশ্চয়তার কারণেই আপনাদের এর সম্পর্কে জানাচ্ছি।

কীভাবে শেয়ার ক্যাশ-এর একাউন্ট পাবো?
যে কেউ ফ্রিতে শেয়ার ক্যাশ-এর মেম্বার হতে পারবেন। শেয়ার ক্যাশ রেজিস্ট্রেশন-এর জন্য এখানে ক্লিক করুন। পরিপূর্ণ তথ্য প্রদান করে রেজিস্ট্রেশন ফরমটি পুরন করুন। তারপর মেম্বার হয়ে যান।

কীভাবে ফাইল আপলোড করবো? লগিন করার পর বামদিকে এডমিন মেনুগুলো পাবেন। ফাইলস মেনুতে ক্লিক করে আপলোড ফাইলস-এ যান। এড বাটনে ক্লিক করে ফাইল সিলেক্ট করুন তারপর আপলোড-এ ক্লিক করলে আপলোড হতে থাকবে।

এছাড়াও এফটিপি মাধ্যমেও ফাইল আপলোড করা যায়। তবে একটা ব্যাপার মনে রাখবেন- আপনি নিম্নোক্ত ধরণের ফাইল আপলোড এবং প্রমোট করতে পারবেন না। যদি করেন তাহলে আপনার একাউন্ট চিরতরে সাসপেন্ড হয়ে যাবে। আপনি যে ধরণের ফাইল আপলোড করতে পারবেন না সেগুলো হচ্ছে-

• এডাল্ট-রিলেটেডে ফাইল
• যেকোনো ধরণের পর্নোগ্রাফি ফাইল
• কোনো পর্নোগ্রাফি সাইটের পাসওয়ার্ড বা এই টাইপের কিছু
• নগ্ন ছবি বা অর্ধ-নগ্ন ছবি বা এই টাইপের কিছু
• সাজেস্টিভ ছবি বা ভিডিও
• কোনো এডাল্ট বা পর্নোগ্রাফি সাইটের লিংক সমৃদ্ধ ফাইল
• এবং যেকোনো ধরণের এডাল্ট তা যা-ই হোক!
আপলোডকৃত ফাইলের লিংক

আপনার ফাইলটি আপলোড করার পর ঐ ফাইলের লিংকটি আপনার পেতে হবে মার্কেটিং করার জন্য। সেজন্য ফাইলস মেনু থেকে ম্যানেজ ফাইলস-এ যান। সেখানে আপনার আপলোডকৃত সবগুলো ফাইলের নাম এবং থাম্বনেইল দেখতে পাবেন। যে ফাইলটার লিংক পেতে চান সেটার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে গেট ইনফো-তে ক্লিক করলে ফাইলের লিংকটি পাবেন। ঐ ফাইলের জন্য ঐ লিংকটা আপনি প্রমোট করবেন। অর্থাৎ ঐ লিংক থেকে ঐ ফাইলটা যতো জন ডাউনলোড করবে ঠিক ততোবার আপনি টাকা পাবেন।

কীভাবে শেয়ার ক্যাশের টাকা পাবেন?
শেয়ার ক্যাশের টাকা একাধিক মাধ্যমে পাওয়া যায়। আমি পেওনিয়ার ব্যবহার করি। মাত্র ২০ ডলার জমা হলেই আপনি পেওনিয়ারে উইথড্র দিতে পারবেন। পেওনিয়ার যদি না থাকে তাহলে আজই বোনাস ২৫ ডলারসহ একটি ফ্রি পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড নিন এখান থেকে: ফ্রি পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড রেজিস্ট্রেশন।

সতর্কতা
অবশ্যই নিজের ফাইল নিজে ডাউনলোড করবেন না। আপনি যত চালাকি-ই করুন না কেন শেয়ার ক্যাশ আপনাকে ধরে ফেলতে পারবে এবং আপনার একাউন্ট চিরতরে ব্যান করে দেবে। তবে আপনি আপনার বন্ধুদের লিংক দিতে পারে ডাউনলোড করার জন্য। কিংবা আপনার ফেসবুকে স্ট্যাটাস আকারে দিতে পারেন। টুইটারে প্রমোট করতে পারেন। এরকম অনেক অনেক মাধ্যম আছে। জাস্ট খুঁজে বের করে মার্কেটিং শুরু করুন আর আয় করুন এখন থেকেই।

বেস্ট অব লাক!

Income from PTC site পিটিসি সাইট থেকে থেকে আয়

 

ইন্টারনেট থেকে আয় করুন মাসে ১২০০০-১৭০০০ টাকা (PTC সাইটের মাধ্যমে)

ইন্টারনেট থেকে আয় এখন আর নতুন কিছু নয়। অনেকেই এখন ইন্টারনেট থেকে খুব ভাল পরিমান আয় করছেন। আবার অনেকে হয়তো বা আয় করতে চাচ্ছেন কিন্তু পারছেন না। আমার এই পোস্ট তাদেরি জন্যে। ইন্টারনেট থেকে আয় করার হাজারো পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় সবগুলোতেই বিভিন্ন ধরনের কাজ জানতে হয়। আবার কিছু কিছু আছে তেমন কোনো কাজ জানা ছাড়াই আয় করা জায়। আজ তেমনি ২ টা আয়ের পদ্ধতি নিয়ে আমি আলোচনা করব। এই পদ্ধতি গুলো যেমনি সহয ঠিক তেমনি জনপ্রিয়। এবং এতে কোনো টাকা-পয়সা কিছুই লাগে না। তাই দয়া করে আমার সম্পূর্ণ পোস্টটি পরুন। খুব সহয ভাবেই লিখতে চেষ্টা করছি। ভুলত্রুটি হলে মাফ করবেন। আর কিছু বুঝতে সমস্যা হলে অথবা কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য আমার (ফেসবুক আইডি, ই-মেইল আইডি, ফোন নাম্বার) পোস্ট এর শেষে দেয়া আছে। দয়া করে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। তাহলে এবার মনোযোগ সহকারে আমার সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন।

আজ আমি ইন্টারনেট থেকে আয়ের যে দুইটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব সেগুলো হলো :
__PTC এবং
__এন্ড্রোয়েড এ বিভিন্ন গেম ও App চালিয়ে ইনকাম। উপরের এই দুইটি পদ্ধতিই সারা পৃথিবীতে বেশ জনপ্রিয়। এবং এই দুইটি পদ্ধতিতে ইনকাম করতে তেমন কোনো কাজ জানা লাগে না। শুধুমাত্র টুক-টাক ইন্টারনেট চালাতে পারলেই হবে। তবে উপরের এই দুইটি পদ্ধতির মধ্যে প্রথম পদ্ধতি অর্থাৎ PTC সম্পর্কে কিছু সাধারণ মানুষের ভ্রান্ত ধারনা রয়েছে। তবে আমি আশাকরি আমার পোস্টটি পরার পর আর কোনো ভ্রান্ত ধারনা থাকবে না। তাই দয়া করে আমার সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাতে আপনারই লাভ। শুরুতে আমি পদ্ধতি দুইটি কি এবং কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে একটি ধারনা দিব। এরপর বিস্তারিত আলোচনা করব। আজকে আমি যে বিষয় গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব সেগুলো হল--

__PTC কি?
__PTC কিভাবে কাজ করে?
__PTC সম্পর্কে কিছু সাধারণ মানুষের ভ্রান্ত ধারনা।
__গেম ও App চালিয়ে আয় কি?
__গেম ও App চালিয়ে আয় কিভাবে কাজ করে?
__দুইটি পদ্ধতি থেকে আপনি কি পরিমান বা, কত টাকা আয় করতে পারবেন।
__এই কাজগুলো করতে আপনার কি কি দরকার এবং কতটুকু সময় আপনার লাগবে।
__যেভাবে আপনি কাজ শুরু করবেন।
__যেভাবে আপনি ভাল মানের PTC সাইট পাবেন।
__আমার রেফারেল লিঙ্ক থেকে কাজ করলে আপনার যা যা বোনাস ও লাভ।
__আমার রেফারেল লিঙ্ক।

PTC কি :
PTC হচ্ছে PAID TO CLICK এর সংক্ষিপ্ত রুপ। মানে Website আপনাকে কিছু অ্যাড দিবে। আপনি ঐ অ্যাড গুলো ক্লিক করে দেখবেন। বিনিময়ে Website আপনাকে কিছু অর্থ প্রদান করবে।

PTC কিভাবে কাজ করে :
আপনি হয়তো ভাবছেন শুধু অ্যাড ক্লিক করলে Website আপনাকে কেন টাকা দিবে? কারণ তো কিছু অবশ্যই আছে। তাহলে কারণটা জেনে নেয়া যাক। বর্তমানে পৃথিবী চলছে বিজ্ঞাপনের উপরে। এখন যে কোনো ব্যবসা বা পন্যের জন্য কোম্পানি টিভি, রেডিও, পোস্টারে বিভিন্ন জায়গায় তাদের পন্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। একটু কঠিন হয়ে গেলো মনে হয়, আচ্ছা আর একটু বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। আমরা জখন টিভিতে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান দেখি তখন অনুষ্টানের ফাঁকে-ফাঁকে আমাদের বিজ্ঞাপন বিরতিতে যেতে হয়। তাতে বিভিন্ন জিনিশের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। আর এই বিজ্ঞাপন দেখালে, টিভি কোম্পানি গুলো যে কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখায় তাদের থেকে টাকা পায়। এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু টিভি কোম্পানি গুলো টাকা পেলেও আমারা কিন্তু কোনো টাকা পাই না। আর এই খানেই ব্যতিক্রম হচ্ছে PTC। তারা বিভিন্ন কোম্পানি অ্যাড দেখিয়ে যে টাকা পায় সেই টাকা থেকে আমাদেরকে কিছু টাকা কমিশন হিসেবে দেয়। সোজাভাবে বলতে গেলে PTC Website অ্যাড দেখিয়ে টাকা আয় করবে। আর আমরা সেই অ্যাড দেখব বলে আমরা ও টাকার কিছু অংশ পাব। এভাবেই PTC কাজ করে।

PTC সম্পর্কে কিছু সাধারণ মানুষের ভ্রান্ত ধারনা :
এই ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা করার আগে আমি একটা উদাহরণ দিচ্ছি। ধরেন আপনার এলাকাতে দশজন ফল ব্যবসায়ী রয়েছেন। এখন আমার প্রশ্ন হল এই দশজন ব্যবসায়ীর মধ্যে সবাই কি সৎ ব্যবসায়ী? কেউ কি ফলে ফরমালিন মেশায় না? কেউ কি ওজনে কম দেয় না? আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি এই দশজন ব্যবসায়ীর সকলেই সৎ ব্যবসায়ী নন। এদের মধ্যে কেউ রয়েছেন ওজনে কম দেন। আবার, কেউ রয়েছেন ফলে ফরমালিন মেশান। এবং এটি শুধু ফল ব্যবসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। পৃথিবীতে যত ধরনের ব্যবসা রয়েছে এর সকল ব্যবসাতেই কিছু ভাল ব্যবসায়ী আবার, কিছু খারাপ ব্যবসায়ী জড়িত থাকে। এটাই বাস্তব।

তাই, আমি এবং আপনি এবং আমরা সবাই এ ব্যপারে একমত। কিন্তু তাই বলে কি ভাল ব্যবসায়ী নেই? নাকি যে ব্যবসাতে দুই-একজন খারাপ ব্যবসায়ী জড়িত থাকে সেই ব্যবসাটাই খারাপ। যদি সেই হিসাব করা হয় তাহলে তো পৃথিবীতে ভাল কোনো ব্যবসা ই নেই। যেমন খাদ্য-দ্রব্যে ভেজাল মেশানো। এটা নিঃসন্দেহ একটা জঘন্য কাজ। কিন্তু তাই বলে আমরা কেউ কি খাদ্য-দ্রব্য ব্যবসাকে খারাপ বলি? উত্তর হল না। আসলে যে সকল ব্যবসায়ী ব্যবসাতে অসৎ উপায় ব্যবহার করে। যারা ভেজাল ব্যবসা করে, আমাদের তাদেরকে খারাপ বলা উচিত ব্যবসাকে নয়। কারণ ব্যবসা বেচারা সম্পূর্ণ নির্দোষ। তাই কয়েক জন অসৎ ব্যবসায়ীর জন্য পুরো ব্যবসাকে খারাপ বলা ঠিক নয়। বোকারাই এরকম কথা বলে থাকে। যারা একটু বুদ্ধিমান। নিজে নিজে চিন্তা করে যে কোনটা খারাপ কোনটা ভাল তারা কখনো এমনটি বলবে না যে ব্যবসা ই খারাপ। এখন আমি আমার আলোচনায় ফিরে আশি। বাংলাদেশে একটা সময় ছিলো যখন এই PTC সাইট সম্পর্কে মানুষের কোনো ভ্রান্ত ধারনা ছিল না।

কিন্তু কয়েক বছর আগে বাংলাদেশি কয়েকটি PTC সাইট চালু হয়। এদের মধ্যে ডোলেন্সার (Dolencer) ও স্কাইলেন্সার (Skylencer) অন্যতম। কিন্ত অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশের এই PTC সাইট দুটি আমাদের সাথে প্রতারনা করে। আর তাই বাংলাদেশের মানুষ PTC সাইটকে দেখতে পারে না। এখন আমার কথা হচ্ছে বাংলাদেশি কয়েকটা PTC সাইট খারাপ কাজ করেছে দেখে তো আর সম্পূর্ণ PTC ব্যবসাতো খারাপ হতে পারে না। এখন কথা হচ্ছে, আপনি যদি ভুল কোম্পানিতে কাজ করে প্রতারিত হন সেই দোষ কি ব্যবসার নাকি ব্যবসায়ীর? আসলে দোষ হচ্ছে আপনার আর আপনার কাজ করা সেই ভুল কোম্পানির। কোম্পানির দোষ হচ্ছে সে আপনাকে প্রতারিত করেছে। আর আপনার দোষ হচ্ছে আপনি যাচাই-বাছাই না করেই ভুল একটা কোম্পানিতে কাজ করেছেন। এখন আপনি যদি যাচাই-বাছাই না করে প্রতারিত হন, সেই দোষ কি PTC ব্যবসার? তাই, PTC বেচারা সম্পূর্ণ নির্দোষ। আপনি যাচাই-বাছাই করে ভাল PTC সাইট এ কাজ করলে কোনোদিনও প্রতারিত হবেন না। এখন হয়তো আপনি ভাবছেন কিভাবে যাচাই-বাছাই করে ভাল মানের PTC সাইট এ কাজ করা যায়। টেনশন করার কিছু নেই। আমিতো আছি। আমি আপনাকে বিভিন্ন কৌশল বলব যা দিয়ে আপনি খুব সহযে ভাল মানের PTC সাইট যাচাই-বাছাই করে বের করতে পারবেন। তবে মজার ব্যপার হচ্ছে আমরা বাঙ্গালীরা PTC সাইটকে দেখতে না পারলেও উন্নত দেশগুলোর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের অধিকাংশ জনগন এই PTC সাইট এর সাথে জড়িত। তাছাড়া আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতেও অন্তত কয়েকশ মিলিয়ন মানুষ এই PTC সাইট এর সাথে জড়িত। নিচের চিত্রটি দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন।

উপরের ছবিটিতে ভালোভাবে লক্ষ্য করলে আপনি দেখবেন, পৃথিবীর অন্যতম পাচঁটি দেশ এই PTC এর সাথে জড়িত। যেখানে রশিয়া ও ভারত এর মত দেশ ও আছে। তাই যেখানে সমগ্র ভারত, রাশিয়া জুড়ে মানুষ এই PTC সাইট এর সাথে জড়িত, সেখানে আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? আমরা কেন PTC সাইট সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে বসে থাকব? আমরাও তাদের দেখিয়ে দিতে চাই যে, আমরাও আধুনিক, আমরাও পারি ইন্টারনেট থেকে আয় করতে, আমরাও PTC সাইট এর সাথে জড়িত থাকতে পারি। তাই বাংলাদেশি কয়েকটি ভুয়া PTC সাইট এর জন্য পুরো PTC ব্যবসাকে দোষ না দিয়ে, আমাদের ভালমানের PTC সাইটে কাজ করা উচিত। আর তাছাড়া এটি খুব কম সময় লাগে বলে সব পেশার মানুষ ই খুব সহযে এই কাজ করতে পারবেন। এবার তাহলে Android এ গেম ও App চালিয়ে টাকা আয় এর ব্যপারটা আলোচনা করা যাক।

গেম ও App চালিয়ে আয় কি :
এই বিষয়টি বলার মতন তেমন কিছুই নয়। নাম দেখেই বুঝা যাচ্ছে। এই পদ্ধতিতে আপনাকে কোম্পানি কিছু Android গেম ও App দিবে। আপনি সেগুলো আপনার মোবাইল এ ইন্সটল করে কিছুক্ষণ চালাবেন। বাস এটাই আপনার কাজ। এই কাজ করলেই কোম্পানি আপনাকে অর্থ প্রদান করবে।

গেম ও App চালিয়ে আয় কিভাবে কাজ করে ;
আপনি হয়তো ভাবছেন, আমি কি উল্টাপাল্টা বলছি নাকি..! কিন্তু না আমি একদম ঠিকঠাক ই বলছি যে বিভিন্ন এন্ড্রয়েড গেম ও অ্যাপ চালিয়ে টাকা আয় করা যায়। কিন্তু কেন আপনাকে তারা টাকা দিবে? কারণতো কিছু অবশ্যই আছে। আর সেই কারণটি হল; পৃথিবীতে বর্তমানে প্রতিদিন বিভিন্ন রকমের অনেক গেম ও অ্যাপ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু জনপ্রিয় গেম ও অ্যাপ গুলোর কাছে নতুন তৈরি হওয়া সেইসব গেম ও অ্যাপ বাজারে টিকতে পারে না। তাই সেই নতুন গেম ও অ্যাপ একটা নতুন বুদ্ধি বের করল। আর সেই বুদ্ধিটা হচ্ছে আমরা তাদের গেম ও অ্যাপ চালাবো, তার বিনিময় তারা আমাদের অর্থ প্রদান করবে। এতে করে তাদের গেম ও অ্যাপ আরো বেশি জনপ্রিয় হবে। আর আমরা ও টাকা পাব। আশা করি কেন গেম ও অ্যাপ চালালে কোম্পানি আপনাকে টাকা দিবে।

দুইটি পদ্ধতি থেকে আপনি কি পরিমান বা, কত টাকা আয় করতে পারবেন :
উপরে আমরা ইন্টারনেট থেকে আয় করার সব থেকে সহজ দুইটা পদ্ধতি সম্পর্কে পরিচয় হলাম। এবার দেখা যাক আপনি মাসে এখান থেকে কত টাকা আয় করতে পারবেন। আমি দুইটা পদ্ধতির আলাদা আলাদা হিসাব দেখাচ্ছি। শুরুতে PTC এর হিসাব এবং এরপর গেম ও অ্যাপ চালিয়ে টাকা আয়ের হিসাব। তো চলেন শুরু করি ;

__PTC থেকে আপনি যে পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন :
PTC সাইট থেকে আপনি মাসে খুব সহযে ২০০০-৫০০০ টাকা আয় করতে পারবেন। এখন আপনি হয়তো ভাবছেন মাসে মাত্র দুই হাজার টাকা..!! কিন্তু না আপনি PTC সাইট থেকে মাসে খুব ১০০০০-১৫০০০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। তবে তার জন্য আপনার কিছু কৌশল জানা থাকতে হবে। খুবি সহয কিছু কৌশল আমিই আপাকে শিখিয়ে দিব। তাই দয়া করে মনোযোগ দিয়ে আমার লেখাটা পড়ুন। আপনি PTC থেকে মাসে ১০০০০-১৫০০০ হাজার টাকা আয় করতে হলে আপনাকে PTC এর আয় কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা জানতে হবে। তাহলে আপনার কাজ আরো সহয হবে। PTC এর আয় বেশ কয়েকটা বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ;

__ডিরেক্ট রেফারেল
__রেন্টেড রেফারেল
__বিভিন্ন অফার
__মিনি জব....ইত্যাদি।

PTC সাইট থেকে বেশি ইনকাম এর জন্য উপরের এই বিষয় গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নে এই বিষয় সম্পর্কে সাধারণ ধারনা দেওয়া হল ;
__ডিরেক্ট রেফারেল হল, আপনার মাধ্যমে যদি কেউ সেই সাইট এ কাজ করে সে হল আপনার ডিরেক্ট রেফারেল। অর্থাৎ, মনে করেন আপনি একটি PTC সাইট এ কাজ শুরু করলেন। এখন কাজ শুরু করার পর ঐ PTC সাইট আপনাকে একটি URL বা, লিঙ্ক দিবে। আপনি ঐ লিঙ্ক দিয়ে যে কয়জন কে কাজে জয়েন করাতে পারবেন সে কয়জন হবে আপনার ডিরেক্ট রেফারেল। যেমন : আপনি যদি কাজ শুরু করেন, তাহলে দয়া করে আপনি আমার রেফারেল লিঙ্ক থেকে কাজ শুরু করবেন। তাহলে আপনি আমার রেফারেল হবেন।

তাছাড়া যদি আপনি আমার রেফারেল হন অর্থাৎ আমার রেফারেল লিঙ্ক থেকে কাজ শুরু করেন তাহলে আমার পক্ষ থেকে আপনার জন্য উপহার হিসেবে থাকছে কিছু বোনাস, ও বিভিন্ন টিপস, ট্রিক্স এবং বেশি ইনকাম করার কৌশল। এবং আমার দেয়া এই কৌশল গুলো শুধু আপনি PTC সাইট ব্যবহার করতে পারবেন তা নয়। আপনি এই কৌশল দিয়ে আপনার নিজের ব্যবসা এবং অন্য আরো অনেক কাজে লাগাতে পারবেন। তাই আমার রেফারেল হলে আপনার ভালোই লাভ আছে। এবার আমরা আবার আমাদের আলোচনায় ফিরে যাই। ডিরেক্ট রেফারেল কি এতক্ষণে এটা আপনি নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ডিরেক্ট রেফারেল করলে আপনার কি লাভ। হ্যা, লাভ তো কিছু অবশ্যই আছে। আর সেটা হল প্রতিজন ডিরেক্ট রেফারেল এর জন্য আপনি কোম্পানি থেকে কিছু কমিশন পাবেন। এই কমিশন ক্ষেত্র বিশেষে ১০-১০০শতকরা পর্যন্ত হয়ে থাকে। মনে করেন আপনার ৫০ জন ডিরেক্ট রেফারেল আছে। অর্থাৎ আপনি আপনার মাধ্যমে ৫০ জনকে কাজে জয়েন করিয়েছেন এবং PTC Website আপনাকে ২০শতকরা হারে কমিশন দিচ্ছে। তাহলে,

আপনার একজন ডিরেক্ট রেফারেল ১০০০ টাকা ইনকাম করলে আপনি কমিশন পাবেন = ২০০ টাকা সূতরাং, আপনার ৫০ জন রেফারেল ১০০০ টাকা করে ইনকাম করলে আপনি কমিশন পাবেন = (২০০ * ৫০) = ১০০০০ টাকা। শুধুমাত্র কমিশন হিসেবেই আপনি ১০০০০ টাকা পাচ্ছেন আর আপনার নিজের ইনকাম তো আছেই। তাই, বলা যায়, যত বেশি ডিরেক্ট রেফারেল তত বেশি ইনকাম। তবে অনেকে মনে করেন ডিরেক্ট রেফারেল জোগাড় করা খুব কঠিন। হ্যা, একটু কঠিন বটে তবে তাই বলে তো আর অসম্ভব কিছু নয়। ডিরেক্ট রেফারেল জোগাড় করা অনেকের কাছে কঠিন মনে হলেও কিছু কৌশল জানা থাকলে খুবি সহয একটা ব্যাপার। যদি আপনি আমার রেফারেল হন তাহলে আমি আপনাকে সেই সব কৌশল এবং প্রয়োজনিয় সকল টুলস ও সফটওয়ার ফ্রি তে দিব।

__রেন্টেড রেফারেল এর সিস্টেম ও ঐ ডিরেক্ট রেফারেল এর মতোই পার্থক্য হল ; ডিরেক্ট রেফারেল হল আপনার নিজের করা রেফারেল। আর রেন্টেড রেফারেল হল আপনার ভাড়া করা রেফারেল। অর্থাৎ আপনি কিছু অর্থের বিনিময় Website থেকে রেফারেল ভাড়া নিতে পারবেন। __PTC সাইটে বেশি ইনকামের জন্য অনেক PTC সাইট বিভিন্ন অফার দিয়ে থাকে। এই সব অফার এর কাজ করলে আপনার ইনকাম বৃদ্ধি পাবে। __PTC এর আয় বারানোর জন্য মিনি জব অন্যতম। মিনি জবে আপনাকে কিছু সিম্পল টাস্ক, বা কাজ দিবে। চিন্তার কিছু নেই এই কাজ গুলো করতে কোনো ধরনের কাজ জানতে হয় না। শুধু ইন্টারনেট চালাতে পারলেই হয়। আপনি জদি মিনি জব করেন তাহলে শুধু মিনি জব থেকেই আপনি মাসে ৬০০০-৭০০০ টাকা আয় করতে পারবেন। যদি আপনি আমার রেফারেল হন তাহলে, আমি আপনাকে মিনি জব কিভাবে করবেন তা হাতে কলমে শিখিয়ে দিব।
আশাকরি এতক্ষণ এর সবটাই আপনি বুঝতে পেরেছেন। যদি কিছু বুঝতে সমস্যা হয় কিংবা আমার কাছে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে আমার সাথে দয়া করে যোগাযোগ করবেন। আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য আমার (ফেসবুক আইডি, ই-মেইল আইডি, ফোন নাম্বার) পোস্ট এর শেষে দেয়া আছে। দয়া করে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।

তাহলে আমরা দেখলাম কিভাবে আপনি PTC সাইট থেকে মাসে ১০০০০-১৫০০০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। এবার দেখা যাক গেম ও অ্যাপ চালিয়ে আপনি কি পরিমান আয় করতে পারবেন। __আপনি যদি গেম ও অ্যাপ চালিয়ে আয় করার সিস্টেম টির পিছনে প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে সময় দেন তাহলে আপনি এখান থেকে মাসে ১৫০০-২০০০ টাকা আয় করতে পারবেন।

উপরে আমরা দেখলাম, PTC Website এবং গেম ও অ্যাপ চালিয়ে আপনি মাসে কি পরিমান আয় করতে পারবেন। যদি আপনি দুইটা পদ্ধতিতেই আয় করেন তাহলে আপনি মাসে খুব সহযে ১২০০০-১৭০০০ টাকা আয় করতে পারবেন। আর যদি আপনার হাতে সময় না থাকে। তাহলে আপনি যেকোনো একটি পদ্ধতিতে কাজ করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আমি আপনাকে বলব আপনি PTC পদ্ধতিতে কাজ করেন কারণ গেম ও অ্যাপ চালিয়ে আয়ের থেকে আপনি PTC পদ্ধতিতে বেশি আয় করতে পারবেন।

এই কাজগুলো করতে আপনার যা যা দরকার এবং যতটুকু সময় আপনার লাগবে :
এই কাজ করতে হলে আপনার একটি কম্পিউটার অথবা একটি স্মার্টফোন লাগবে। আপনি চাইলে এন্ড্রয়েড, আই-ফোন, নকিয়া লুমিয়া, ট্যবলয়েড ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার কাছে যেটা থাকে সেই টাই কাজে লাগান। তারপর আপনার ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে। বাস আর কিছুই লাগবে না। আর এই কাজগুলো করতে আপনার সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘন্টা। আপনি আপনার শুবিধা মতন সকালে, বিকালে অথবা রাতে যখন আপনার শুবিধা তখন কাজ করতে পারেন। তবে নিয়মিত কাজ করতে হবে। তাই যেহেতু এটি করতে সময় লাগে মাত্র দেড় থেকে দুই ঘন্টা এবং দিনের যেকোনো সময় কাজটা করা যায় সেহেতু এই কাজ সব ধরনের পেশার মানুষ পার্ট টাইম জব হিসেবে কাজ করতে পারেন। আর আমরা জারা এখনো পড়া লেখায় আছি তাদের জন্য কাজটা খুব ভাল। কারণ এতে সময় খুবি কম লাগে।

যেভাবে আপনি কাজ শুরু করবেন :
তাহলে সব কিছু জানার পর এখন আপনারা জারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে কাজটা করবেন। তাদের জন্য বলছি যেভাবে আপনি কাজ শুরু করবেন। PTC সাইট এ কাজ করতে হলে আপনার একটি অনলাইন ওয়ালেট থাকা লাগবে। আমরা সবাইতো বিকাশ কে চিনি। বিকাশ দিয়ে মোবাইল থেকে মোবাইল এ টাকা পাঠানো বা, লেনদেন করা হয়। এজন্য বিকাশকে মোবাইল ওয়ালেট বলে। আর যেইটা দিয়ে অনলাইনে টাকা পাঠানো হয় বা, অনলাইনে টাকা লেনদেন করা হয় তাকে অনলাইন ওয়ালেট বলে। আশাকরি অনলাইন ওয়ালেট কি তা বুঝতে পেরেছেন। যেহেতু আমাদের কাজটা হচ্ছে অনলাইনে সেহেতু আমাদের অনলাইন ওয়ালেট লাগবে। সারা পৃথিবীতে বেশ কয়েকটা অনলাইন ওয়ালেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে এর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় দুইটি অনলাইন ওয়ালেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে Paypal ও Payza. কিন্তু Paypal বাংলাদেশে সাপোট করে না। অর্থাৎ Paypal বাংলাদেশে সার্ভিস দেয় না। তবে দ্বিতীয়টি অর্থাৎ Payza বাংলাদেশ সাপোট করে। তাই আমারা Payza তেই আমাদের অনলাইন ওয়ালেটটি করব। অর্থাৎ Payza তে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

(যারা Payza সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান যেমন : Payza কি? এটি কিভাবে কাজ করে? কিভাবে আপনি একটি Payza অ্যাকাউন্ট খুলবেন। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।) Payza অ্যাকাউন্ট খুলার পর আপনার দরকার হবে, যে Website এ কাজ করতে চান সে Website এর অ্যাকাউন্ট। তবে আপনি কোন Website এ কাজ করবেন এটা খুবি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনি জদি খারাপ মান সম্পন্ন ভুল Website এ কাজ করেন তাহলে লস কিন্তু আপনারই। এটি আমি আগেই আলোচনা করেছি। এখন হয়তো ভাবছেন কিভাবে আপনি একটি ভাল মান সম্পন্ন Website বাছাই করবেন। টেনশন এর কিছু নেই এমন কিছু কৌশল রয়েছে যেগুলো দিয়ে আপনি খুব সহযে ভাল মান সম্পন্ন Website বাছাই করতে পারবেন। আমি একটু পরেই সেই কৌশল গুলো নিয়ে আলোচনা করছি। তাই দয়া করে আমার সম্পূর্ণ লেখাটা ভালভাবে পড়ার জন্য অনুরোধ রইল। ঠিক আছে আমরা যেটা নিয়ে আলোচনা করছিলাম, ধরে নিচ্ছি আপনার Payza একাউন্ট হল এবং ভাল মানের কয়েকটা PTC Website এর

একাউন্টও হলো। তাহলে ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এখন আপনার ইনকাম করার পালা। প্রতিটা Website এই কাজ করার বেসিক সিস্টেম প্রায় একি রকম। তবে কয়েকটা Website এ হালকা পরিবর্তন রয়েছে। আমি আপনাকে আমি যে কয়টা Website এ কাজ করি সে কয়টা Website এ কাজ করার সিস্টেম দিখেয়ি দিব। তেমন আহামরি কিছু না। একদম সিম্পল সিস্টেম আপনি একবার দেখলেই পারবেন। তবে আমি আপনাকে সাজেশন করি আপনি কয়েকটি Website এ কাজ করবেন। কারণ আপনি কয়েকটা Website এ কাজ করলে আপনার ইনকাম ও কয়েকগুণ বেশি হবে। যদি আপনার হাতে সময় একদমই না থাকে তাহলেও অন্তত ১ ঘন্টা তো নিশ্চই আছে। যদি আপনি সারা দিনে মাত্র ১ ঘন্টা সময় দেন তাহলেও অন্তত আপনি তিনটা Website এ কাজ করতে পারবেন। কারণ একটা Website কাজ করতে আপনার সর্বোচ্চ ২০ মিনিট লাগবে। আর যদি আপনি একটু স্মার্ট হন, কয়েকদিন কাজ করেন তাহলে মাত্র ১০-১২ মিনিটে কাজ শেষ করতে পারবেন। তাই আমি সাজেশন করি, আপনি অন্তত তিনটা Website এ কাজ করবেন। তাহলে আপনার ইনকামও তিনগুন হবে। আর ভাল মানের তিনটা Website খুজে বের করার কৌশল আমি একটু পরেই আলোচনা করছি। এতক্ষণ আমরা কিভাবে PTC সাইট এ কাজ শুরু করবেন সেটা দেখলাম। এবার আমাদের দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অর্থাৎ গেম ও App চালিয়ে আয়ের কাজটা আপনি যেভাবে শুরু করবেন তা বলছি।

গেম ও App চালিয়ে আয় করার জন্যেও আপনার অনলাইন ওয়ালেট লাগবে। অনলাইন ওয়ালেট শুধুমাত্র PTC কিংবা গেম ও অ্যাপ চালিয়ে আয়ের জন্য নয়। এটি সব ক্ষেত্রেই আপনার কাজে লাগবে। ইন্টারনেট থেকে কোনো কিছু কিনতে হলেও আপনার এই অনলাইন ওয়ালেট লাগবে। তো অনলাইন ওয়ালেট হবার পর আপনি যেই সাইট এ কাজ করবেন তার একাউন্ট লাগবে। তবে যদি আপনার হাতে অতিরিক্ত সময় না থাকে তাহলে আপনি এই পদ্ধতিতে কাজ করার দরকার নেই। শুধুমাত্র PTC তেই কাজ করবেন। কারণ আপনি ১ ঘন্টা কাজ করে গেম ও অ্যাপ চালিয়ে যা আয় করবেন, PTC থেকে আপনি তার তিন থেকে চার গুন বেশি আয় করতে পারবেন। আর যদি আপনার হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় থাকে তাহলে আপনি PTC এর পাশাপাশি গেম ও অ্যাপ চালিয়ে আয় করতে পারেন।

যেভাবে আপনি ভাল মানের PTC সাইট পাবেন :
PTC সাইট এ কাজ করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হচ্ছে ভাল মানের Website বাছাই করা। কিন্তু অনেকেই ভাল মানের Website বাছাই করতে বিভিন্ন ধরনের দ্বিধা-দন্ধে পড়েন। তাই, আপনার জাতে ভাল মানের সাইট বাছাই করতে তেমন কোনো সমস্যা না হয়। যাতে করে আপনি একটি ভাল মানের সাইট বাছাই করতে পারেন সে জন্য এখন আমি কয়েকটি কৌশল নিয়ে আলোচনা করব। আর টেনশন করার কিছুই নেই। আমি নিজেই আপনাকে ভাল মানের এবং উচ্চ সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন কয়েকটি সাইট এর কথা বলব। যেগুলোতে আমি নিজেও কাজ করি। একটি ভাল সাইট বাছাই করার জন্য আমি তিনটি কৌশল নিয়ে আলোচনা করব। তাহলে কৌশল গুলো দেখে নেয়া যাক ;

__একটি ভাল মানের PTC সাইট বাছাই এর জন্য সবার আগে আপনি লক্ষ রাখবেন সাইটটির বয়স কত। ভাল মানের PTC সাইট বাছাই এর জন্য বয়স খুবি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যে সাইট এর বয়স যত বেশি সে সাইট বিশ্বস্ততাও তত বেশি। আপনি একটু চিন্তা করলেই ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। আচ্ছা একবার ভাবুনতো, ধরেন একটা PTC সাইট যেটা কিনা বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ তাদের গ্রাহকদের কোনো অভিযোগ ছাড়াই ভাল মানের সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে তার বিশ্বস্ততা বেশি? নাকি যে কিনা মাত্র কয়েকদিন বা, কয়েক মাস হল এসেছে তার বিশ্বস্ততা বেশি? অবশ্যই যে বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ কোয়ালিটি সম্পন্ন ভাল মানের সার্ভিস দিয়ে এসেছে তার বিশ্বস্ততা বেশি। আর আআপনার তো বিশ্বস্ত সাইট ই প্রয়োজন। তাই একটি PTC সাইট এ কাজ করার পূর্বে অবশ্যই সাইটটির বয়স জেনে নিবেন। এবং যারা কিনা অনেক বছর যাবৎ ভাল মানের সার্ভিস দিচ্ছে আপনি দয়া করে শুধুমাত্র সেই সব সাইট এই কাজ করবেন।

__একটি PTC সাইট এর বয়স যাচাই করার পর যেটা করবেন, সেটা হল সেই সাইটটির জনপ্রিয়তা যাচাই করা। একটি সাইট এ কাজ করার আগে সাইটটির জনপ্রিয়তা যাচাই করা খুবি জরুরি। কারণ মনে রাখবেন যে সাইট যত বেশি জনপ্রিয় আপনার বুঝতে হবে সে সাইট তত বেশি বিশ্বস্ত এবং ভাল মানের সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন। কারণ যদি কোনো সাইট তাদের গ্রাহককে ভাল সুযোগ সুবিধা না দেয়। কিংবা সাইটটি যদি বিশ্বস্ত না হয় তাহলে কোনোদিন ই সাইটটি জনপ্রিয় হতে পারবে না। তারা ভাল দেখেই তারা জনপ্রিয়। তাই যে সব সাইট যত বেশি জনপ্রিয় সেসব সাইট তত বেশি কোয়ালিটি সম্পন্ন। এখন কিভাবে আপনি একটি সাইট এর জনপ্রিয়তা যাচাই করতে পারেন?

আপনি যদি কোনো সাইট এর জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চান তাহলে আপনার যেতে হবে alexa.com এ। Alexa হচ্ছে amazon.com এর একটি সেবা। এটি পৃথিবীর সকল ওয়েবসাইট এর র্যাংকিং করে। আর আমরা জানি, যার র্যাংকিং যত উপরে সে তত ভাল কোয়ালিটি সম্পন্ন। তাই কোনো PTC সাইট এ কাজ করার আগে অবশ্যই সাইটটির জনপ্রিয়তা যাচাই করে নিবেন। জনপ্রিয়তা যাচাই করার জন্যে alexa.com এ গিয়ে আপনি যে সাইটটি জনপ্রিয়তা বা, র্যাংকিং দেখতে চান সেটির নাম লিখবেন। তারপর আপনি সাইটটি কত নাম্বার র্যাংকিং এ আছে আপনি দেখতে পারবেন। র্যাংকিং দেখার পর আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে সাইটটি কতটা জনপ্রিয়।

__একটি PTC সাইট এ কাজ করার আগে সাইটটি বয়স অ জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের পর আপনি সাইটটি রিভিউ দেখবেন। রিভিউ হচ্ছে ঐ সাইটটি নিয়ে পর্যালোচনা। একটি সাইট এর রিভিউতে সর্ব-সাধারনরা আলোচনা পর্যালোচনা করে থাকে। সেখানে মানুষ ঐ সাইটটির সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত দিয়ে থাকে। যখন আপনি একটি সাইট এর রিভিউ দেখবেন তখন সকল মানুষ সাইটটি সম্পর্কে ভাল বলছে না খারাপ বলছে আপনি তা দেখতে পারবেন। আশাকরি একটি PTC সাইট এ কাজ করার আগে তার রিভিউ দেখে নেয়ার প্রয়োজনিয়তা আপনি বুঝতে পেরেছেন। এখন যে সকল সাইট এর ক্ষেত্রে আপনি উপরের এই তিনটা বিষয়ে ভাল ইঙ্গিত পাবেন আপনি দয়া করে সে সকল সাইট এ কাজ করবেন। আর যদি আপনি ভাল সাইট খুজে বের করতে না পারেন তাহলে আমি এখন আপনাকে দুইটা সাইট এর কথা বলব যেগুলো খুবি ভাল মানের এবং উপরের এই তিনটা গুনই এই সাইট গুলোর মধ্যে বিদ্দমান। অর্থাৎ আমার দেয়া এই তিনটা সাইট ই অনেক বছর যাবৎ তাদের গ্রাহকদের কোনো অভিযোগ ছাড়াই ভাল মানের সেবা দিয়ে আশছে এবং এই সাইটগুলো খুবি বিশ্বস্ত এর কারণে সাইটগুলো বেশ জনপ্রিয়। তাছাড়া আপনি এই সাইটগুলোর রিভিউ দেখলেই বুঝতে পারবেন যে সাইটগুলো কতটা ভাল মানের এবং উচ্চ সুযোগ শুবিধা সম্পন্ন। আর দয়া করে আপনি আমার রেফারেল লিঙ্ক থেকে একাউন্ট খুলবেন। আপনি আমার রেফারেল হলে আমার লাভ হবে। তবে আমার যা লাভ হবে তার থেকে বেশি লাভ হবে আপনার। হ্যাঁ, আপনি যদি আমার রেফারেল হন তাহলে আমি আপনাকে কিছু সুযোগ শুবিধা দিব। সেগুলো হল ;

__আপনার কাজ করতে যেকোনো ধরনের সমস্যা হলে, আমি সমাধান করে দিতে চেষ্টা করব। __প্রয়োজনিয় সকল টুলস, মেটোরিয়ালস, সফটওয়ার ফ্রিপ্লাসতে দিব। __আপনি যাতে ভাল পরিমান আয় করতে পারেন সে জন্য আমার বেশ কয়েকটি কৌশল আমি আপনাকে বলব।

__আপনি যাতে অন্তত ৫০ জন ডিরেক্ট রেফারেল জোগাড় করতে পারেন সে জন্যে বিভিন্ন মার্কেটিং প্লান, টিপস ও ট্রিক্স আমি আপনাকে শিখিয়ে দিব। __এসব মার্কেটিং প্লান বাস্তবায়ন করতে আপনার প্রয়োজনিও সকল টুলস ও সফটওয়ার আমি আপনাকে ফ্রিতে দিব। __PTC সাইট থেকে বেশি ইনকামের জন্যে মিনি জব খুবি গুরুত্বপূর্ণ এটা আমি আগেই বলেছি। আপনি আমার রেফারেল হলে কিভাবে আপনি মিনি জব করবেন সে ব্যপারে আমি আপনাকে বিস্তারিত বলব এবং হাতে কলমে শিখিয়ে দিব।

যদি আপনি আমার রেফারেল লিঙ্ক থেকে একাউন্ট করে কাজ শুরু করেন অর্থাৎ যদি আপনি আমার রেফারেল হন তাহলে আমি আপনাকে উপরের সব সার্ভিস একদম ফ্রিতে দিব। আর যদি আপনি আমার রেফারেল না হন। অর্থাৎ যদি আপনি সরাসরি Website থেক একাউন্ট খুলেন তাহলে আপনার কোনো লাভ ই নেই। কারণ আমি আপনাকে যে সার্ভিসগুলো ফ্রিতে দিব সেই সার্ভিসগুলো Website কোনোদিনই আপনাকে দিবে না। তাই, ভেবে দেখুন এর থেকে ভাল অফার আর কিইবা হতে পারে? আপনি আমার রেফারেল হলে আমার একটু লাভ আর আমার লাভটা হল Website আমাকে কমিশন দিবে। কিন্তু আপনি যদি আমার রেফারেল হন তাহলে আপনার কোনো লস ই নেই। বরং লাভ। কি লাভ সেটা তো জানলেনই। তবে যদি আপনি আমার রেফারেল না হন তাহলে আপনার কোনো লাভ ও নেই। আবার কোনো লস ও নেই। কিন্তু যেখানে আমাদের লাভ নেই সেখানে আমরা কেন যাব? তাই যেখানে আমাদের লাভ আছে আমরা সেখানেই যাব। তবে আর একটা কথা, আপনি যদি আমার রেফারেল লিঙ্ক থেকে একাউন্ট না খুলে সরাসরি Website থেকে একাউন্ট খুলেন তাহলেও আপনাকে কারো না কারো রেফারেল হতেই হবে। এর কারণটা হচ্ছে, শুরুতেই আমি বলেছিলাম রেফারেল দুই ধরনের।

ডিরেক্ট রেফারেল ও রেন্টেড রেফারেল। যখন আপনি কোনো Website এ সরাসরি কারো রেফারেল না হয়ে একাউন্ট খুলবেন তখন Website টাকার বিনিময়ে আপনাকে ভাড়া খাটাবে। অর্থাৎ যদি কেউ Website কে টাকা দিয়ে বলে আপনাকে তার রেফারেল বানিয়ে দিতে তখন Website ঐ মেম্বার থেকে টাকা নিয়ে আপনাকে তার রেফারেল বানিয়ে দিবে। তার মানে আপনি আমার রেফারেল থেকে খুলেন আর সরাসরি Website থেকে খুলেন রেফারেল আপনাকে কারো না কারো হতেই হবে। কিন্তু যদি আপনি আমার রেফারেল হন তাহলে আপনি আমার থেকে অনেক হেল্প পাবেন। কিন্তু যদি আপনি সরাসরি Website থেকে একাউন্ট করে অন্য কারো রেফারেল হন তাহলে সে আপনাকে কোনো হেল্প ই করবে না। তাই দয়া করে আপনি আমার রেফারেল থেকে কাজ করবেন। ঠিক আছে অনেক কথা বলে ফেললাম এখন তাহলে আমি আমার ভাল মানের দুইটা PTC সাইট এর কথা বলি ;

5 Ways to Make Money on YouTube ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়

 

ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায়

ইউটিউব থেকে আয় করার ৫ টি উপায় বেশিরভাগ মানুষ ইউটিউব ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ মজার খোঁড়াক হিসেবে। কেউ ব্যাবহার করে নিজের বিভিন্ন ক্রিয়েটিভিটি প্রদর্শন করে রাতারাতি খ্যাতি পাওয়ার জন্য আবার কেউ এটি ব্যাবহার করে নিজের এবং বন্ধুবান্ধবদের একান্ত কিছু স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সারাজীবন। কিংবা কেউ হয়তো বিদেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে নিজেদের বিশেষ আয়োজন বা মুহূর্ত পৌঁছে দেয় ইউটিউব এ আপলোড করা একটি ভিডিও এর মাধ্যমে।

কিন্তু যেসকল মানুষ প্রতিনিয়ত ইউটিউব ব্যাবহার করে শুধু শখের বসে তারা জানেই না যে আপনার আপলোড করা এই ভিডিও গুলো অনায়াসে হতে পারে আপনার আয়ের উৎস। খুব সহজ সাধারন কিছু নিয়ম অনুসরন করে অনলাইনের আয়ের যেকোনো ক্ষেত্র থেকে অনেক দ্রুত আয় করা যায় ইউটিউব থেকে। শুধু জানতে হয় আয়ের সঠিক পথ। তো চলুন দেখে নেই কি কি ভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবেন –

১. ইউটিউব থেকে আয় করুন অ্যাডসেন্স দিয়ে
এটাই ইউটিউব থেকে আয় করার সবথেকে জনপ্রিয় এবং বড় মাধ্যম। আমরা সকলেই জানি যে ইউটিউব হচ্ছে গুগল এর একটি সেবা। আবার গুগল অ্যাডসেন্স ও গুগলের। তাই ইউটিউব এর ব্যাপারে গুগলের প্রাধান্য অনেক। এমনকি আপনি মাত্র কয়েকটা ছোট ছোট ভিডিও দিয়েই একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্রুভ করাতে পারবেন। আর সবথেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে অ্যাডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার জন্য ইউটিউব হচ্ছে অন্যতম সহজ একটি পদ্ধতি। সেরা আর্নাররা শুধুমাত্র ইউটিউব অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করে মাসে কয়েক লক্ষ ডলার পর্যন্ত আয় করে থেকে!

২. নিজের পণ্য বিক্রি করে
ধরুন আপনার নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ আছে। এখন আপনি যদি নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডজ সম্পর্কে কিছু ভিডিও তৈরি করেন এবং সাথে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছুটা রিভিও যুক্ত করে আপলোড করেন তবে ইউটিউব হতে পারে আপনার নিজের পণ্য মার্কেটিং এর সবথেকে বড় মাধ্যম। এখন আপনি বলতে পারেন যে এভাবে কত জনই বা কিনতে পারে। কিন্তু আপনি জানেন কি ইউটিউব এ আপনি কি পরিমান ভিসিটর পেতে পারেন? যেকোনো বিষয়ের উপর ভিডিও গুলোর ভিউ থেকে আপনি সহজেই তা বুজতে পারবেন। আর সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে ওয়েব সার্চ এর তাবৎ ক্রয়যোগ্য (অর্থাৎ যে কীওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্যই সার্চ করে) সার্চের বেশিরভাগটাই ইউটিউবে হয়। মানে কেউ কোন পণ্য কিনার জন্য মন স্থির করলে সেই পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওই দেখে থাকে।

৩. এফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর রিভিউ করে
এটি ইউটিউব ব্যাবহারের আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই ক্ষেত্রে মানুষ আমাজন বা অন্য কোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এর পণ্যের এফিলিয়েশন করে থাকে। সাধারনত নিজের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দেওয়া হয় এবং ভিডিও তে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে রিভিও প্রদান করা হয়। সেই ভিডিও থাকাকালীন কেউ যদি ঐ লিঙ্কের মাধ্যমে গিয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তবে এফিলিয়েটর কমিশন পায়। এইভাবে এফিলিয়েশন করলে খুবই কম খরচে বা বিনা খরচে আপনি সহজেই মাস গেলে অনেক টাকা কামিয়ে নিতে পারবেন।

৪. ইউটিউব এর পার্টনার হোন
বর্তমানে পৃথিবী ব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি ইউটিউব পার্টনার আছেন। পার্টনাররা ভাড়ার ভিত্তিতে ভিডিও অভারলেয় করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং আয় ইউটিউব এর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাদেরদে অনেক সময় ব্রান্ডদের এন্টারটেইনার বা ভিডিও মার্কেটার হিসেবে হায়ার করাও হয়ে থাকে। অনেক সময় একটা ব্রান্ডের জন্য বিশেষ ভিডিও তৈরি করেও এরা অনেক টাকা উপার্জন করে।

৫. আপনার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক বিক্রি করুন
এটা অনেক মজার একটা আয়। ধরুন যেকোনো বিষয়ের উপর আপনার একটা ভিডিও ইউটিউব এ প্রথম দিকে আছে। এই মুহূর্তে এই ধরনের প্রোডাক্ট যাদের আছে আপনি চাইলেই তাদের কাছে এককালীন অথবা দীর্ঘমেয়াদী শর্তে একটা লিঙ্ক বিক্রি করতে পারেন যা আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে থাকবে। কয়েকটা ভিডিও তে এসইও করেই আপনি এইভাবে লিঙ্ক বিক্রি শুরু করতে পারেন।

তবে এই ক্ষেত্রে ভিডিও তে অবশ্যই ভালো মানের ভিসিটর থাকতে হবে আর এভাবে লিঙ্ক দিয়ে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট বা ওয়েব ব্লগেও প্রচুর পরিমান ট্রাফিক আনতে পারেন। এইধরনের আরও বেশ কিছু উপায় আছে ইউটিউব থেকে আয় করার। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার হচ্ছে কাজ করার মানসিকতা। নিয়মিত কাজ করলে যেকোন উপায়েই আপনি আয় করতে পারবেন। কিংবা আপনি নিজেও আরও আরও উপায় খুজে পাবেন আয় করার।

Featured Post

The Great Race: Tortoise vs. Hare

        কচ্ছপ ও খরগোশের দৌড় প্রতিযোগিতা অনেক দিন আগের কথা। এক বনভূমিতে খরগোশ আর কচ্ছপ একসাথে বসবাস করত। খরগোশ ছিল খুবই দ্রুতগামী আর আত্মবিশ...